টাইটানিয়ামের তৈরি কৃত্রিম হৃদযন্ত্র। ছবি: বাইভাকর বিশ্বের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে টাইটানিয়ামের কৃত্রিম হৃৎপিণ্ড নিয়ে ১০০ দিন বেঁচে থাকলেন এক অস্ট্রেলিয়ান। জানুন কীভাবে এই বিপ্লবী চিকিৎসা প্রযুক্তি হার্ট ফেইলিওর রোগীদের জন্য নতুন আশা জাগাচ্ছে। টাইটানিয়ামের কৃত্রিম হৃদ্যন্ত্র: চিকিৎসা বিজ্ঞানের যুগান্তকারী সাফল্য প্রথমবারের মতো, টাইটানিয়ামের তৈরি সম্পূর্ণ কৃত্রিম হৃদ্যন্ত্র নিয়ে ১০০ দিন বেঁচে ছিলেন এক অস্ট্রেলিয়ান ব্যক্তি। এই যুগান্তকারী সাফল্য কার্ডিয়াক চিকিৎসার ইতিহাসে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। হার্ট ফেইলিওরের কারণে, তাকে মানব হৃদ্যন্ত্র প্রতিস্থাপন করা জরুরি ছিল। কিন্তু দাতা না পাওয়ায়, তার দেহে ‘বাইভাকর’ নামের কৃত্রিম হৃদ্যন্ত্র প্রতিস্থাপন করা হয়। বাইভাকর: কীভাবে এটি কাজ করে? বাইভাকর একটি সম্পূর্ণ কৃত্রিম হৃদ্যন্ত্র যা ম্যাগনেটিকালি সাসপেন্ডেড রোটর প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এটি মূলত শরীরে নিয়মিত পালসে রক্ত সরবরাহ করে, যা স্বাভাবিক হৃদ্যন্ত্রের মতোই কাজ করে। বাইভাকরের বৈশিষ্ট্য: ✅ সম্পূর্ণ কৃত্রিম হৃদ্যন্ত্র (মানব হৃদ্যন্ত্রের বিকল্প)। ✅ ম্যাগনেটিকালি সাসপেন্ডেড রোটর প্...